তারেক হাসান

তারেক হাসান

সভাপতি প্রেসিডিয়াম কমিটি

জন্ম ১লা জুলাই ১৯৮৪ইং শেরপুর জেলার নানার বাড়ি নন্দীর বাজার গ্রামে। নিজ পিত্রালয় একই জেলার চাঁন্দের নয়াপাড়া গ্রামে।বাবা- বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম ছায়েদুল ইসলাম, মাতা-সুলতানা রাজিয়া। তিন ভাই একবোনের মধ্যে দ্বিতীয়। প্রাইমারি পড়াশুনা চাঁন্দের নগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। মাধ্যমিক খারজান উচ্চ বিদ্যালয়ে। উচ্চ মাধ্যমিক শেরপুর সরকারী কলেজ থেকে। ২০০৯সালে জীবিকার তাগিদে পাড়ি জমান সিংগাপুরে, সেখান থেকে ডিপ্লোমা অফ মেকানিক্যাল এবং বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং পড়াশুনা শেষ করে সে দেশেই একজন পেশাদার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। পেশাদারী দ্বায়িত্বে বিভিন্ন দেশ ভ্রমন করেন। লেখালিখির শুরু স্কুল জীবন থেকেই এরপর ২০০০ সাল পর্যন্ত একাধারে লিখতে থাকেন। লেখালেখির এক পর্যায়ে স্থবিরতা চলে আসে লেখালেখির প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন। ২০০৮ সালে যখন সিংগাপুরে পা রাখেন, ২০১২ সালে তার এক বন্ধুর সাথে দেখা হয় সিংগাপুরে। সেই বন্ধু নিয়ে যায় সিংগাপুরে একমাত্র বাংলা পত্রিকা বাংলারকন্ঠ পত্রিকার সম্পাদক একেএম মোহসিন মালহারের অফিসে এবং পরিচয় করিয়ে দেন। সেদিনই একটি কবিতা লিখে দিতে বলে বাংলার কন্ঠ পত্রিকার সম্পাদক। সেখানে বসেই একটি কবিতা লিখে দেন। ঐমাসেই বাংলার কন্ঠ পত্রিকায় ছাপা হয় “আমরা বাঙালী ” নামক কবিতাটি। আনন্দে উৎফল্ল হয়ে পড়েন। সময় দিতে থাকেন বাংলার কন্ঠ কালচারাল ফোরামে। বাংলা ভাষাভাষী লেখকদের সাথে পরিচয় হতে থাকে। আবার লেখালেখি শুরু হয়। প্রতিদিন কবিতা লিখে বাংলাদেশের বিভিন্ন নিউজ পোর্টালে পাঠাতে থাকেন এবং প্রকাশ হতে থাকে। সর্ব প্রথম সাংবাদিকতা শুরু করেন বাংলার কন্ঠ পত্রিকায়, পরে দৈনিক দেশকাল, নিউজ পোর্টাল টু ডে সংবাদ এর সিংগাপুর প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন। এরপর একাধিক নিউজ পোর্টালে সিংগাপুর প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন। সিংগাপুরে থাকা অবস্থায় আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইভেন্ট ও প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন।বিদেশে অবস্থানকালীন ২০১৪ইং সালে প্রতিষ্ঠা করেন “সচেতন দারিদ্র বিমোচন সংস্থা। ২০১৭ইং সালে বাবার নামে প্রতিষ্ঠা করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম ছায়েদুল ইসলাম ফাউন্ডেশন ও পাঠাগার। ২০১৬ ইং সালে যুক্ত হন সোনার বাংলা সাহিত্য পরিষদে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সাংগঠনিক কাজে নিজেকে নিয়োজিত করেন ২০১৭ -২০১৮ ইং সালে সোনার বাংলা সাহিত্য পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক, ও ২০১৯-২০২০ ইং সাল সভাপতি ও ২০২১-২০২২ ইং সাল কমিটির প্রেসিডিয়াম সভাপতি হিসেবে দায়িত্বপালন করেন। ২০১৬ ইং সাল থেকে বাংলাদেশের জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত হতে থাকে ছড়া, কবিতা, ও গল্প যা এখনো চলছে। ২০১৭ সালে অমর একুশে বইমেলায় প্রথম প্রকাশিত হয় “রক্তাক্ত সিঁড়ি “কাব্যগ্রন্থ ও “নাজিমপুরের নাজিমুদ্দিন” গল্পগ্রন্থ, ২০১৮ সালে একুশে বইমেলায় প্রকাশিত হয় “আমি বিদ্রোহী বলছি”, “কুসুম কুসুম প্রেম “কাব্যগ্রন্থ ও “চলন্ত ট্রেনে ঝুলন্ত” প্রেম গল্পগ্রন্থ। ২০১৯ সালে বইমেলায় প্রকাশিত হয় ভাষণের নাম স্বাধীনতা কাব্যগ্রন্থ। বর্তমানে একাধিক গ্রন্থ প্রকাশের দ্বারপ্রান্তে এর মধ্যে শিশুতোষ ছড়া, শিশুতোষ গল্প, কবিতা, গল্প, ও উপন্যাস। সাহিত্য সঞ্চার নামক একটি লিটল ম্যাগাজিনের সম্পাদক তিনি। ২০২০সালে আত্মপ্রকাশ করেন প্রকাশক হিসেবে, ৫০ এর অধিক বই প্রকাশ করেন উনার প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান বাবাই পাবলিকেশন্স থেকে। তিনি একাধারে কবি, ছড়াকার শিশুসাহিত্যিক, কথাসাহিত্যিক ও প্রকাশক। বর্তমানে তিনি ইঞ্জিনিয়ারিং পেশার পাশাপাশি সাহিত্যচর্চায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। এ পর্যন্ত সাহিত্য প্রাপ্তি। জাতীয় কবি স্মৃতি সম্মাননা -২০১৬ কবি সাহিত্যিক ফোরাম লেখক সম্মাননা -২০১৭ মোরালুক সাহিত্য সম্মাননা -২০১৭ পড়শী সাহিত্য সম্মাননা -২০১৭ সোনার বাংলা সাহিত্য পরিষদ মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা ছায়েদুল ইসলাম স্মৃতি পদক -২০১৭ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম সাহিত্য সম্মাননা-২০১৮।